নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের স্বনামধন্য ও সর্ববৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ। বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে এই কলেজে ভর্তি হয় শিক্ষার্থীরা। এই ত্যাগের মধ্যে অর্থ থেকে শুরু করে মাথার চুল কিছুই বাদ থাকে না। শিক্ষার্থীদের বহু সাধের চুল উপড়ে ফেলা হয় এখানে।
এই চুল বুলডোস করার মিশনে সিসিপিসির প্রধান হাতিয়ার লিপু কুমার শীল। তিনি যদিও প্রতিষ্ঠানে মালী হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন। একদিন ঘাস কাটতে কাটতে তার মাথায় আসলো তিনি যদি ঘাস কাটতে পারেন, তাহলে নিশ্চয় তিনি চুলও কাটতে পারবেন। এ আর এমন কি! যেই কথা সেই কাজ। শিক্ষার্থীদের চুলও তিনি ঘাসবিহীন মাঠের মতো ঠকঠকে করে দিতে লাগলেন।

সোর্স- ফাইল ছবি
ঘটনাক্রমে এটা তার নেশা থেকে পেশায় পরিনত হলো। প্রতিদিন সকালে শিক্ষার্থীদের আধা ন্যাড়া করে তিনি স্বর্গসুখ লাভ করতেন। তবে এই করোনা মহামারীকালীন সময়ে অন্য সবার মতো তিনিও কষ্টে আছেন। শিক্ষার্থীদের চুল না কাটতে পেরে বেশ তিনি মানসিক সমস্যা উপলব্ধি করছেন। তিনি আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সবার সাথে খিটখিটে আচরন করছে বলেও এলাকাসূত্রে জানা যায়। এলাকাবাসী আরো জানিয়েছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কাউকে দেখলেই ব্লেড-কাচি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ছেন লিপু।
প্রতিবেক তার সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি এ বিষয়গুলো স্বীকার করেন। এবং শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে একটা হুশিয়ারি ছুড়ে দেন। তিনি বলেন,
“তোমরা কেউ পার পাইবা না। সবগুলির চুল কাইটা ন্যাড়া বানায় দিব। একটার চুল আস্ত থাকবো না। হাহাহা”
এ কথা বলতে বলতেই দা-কাচি নিয়ে প্রতিবেদকের উপড় ঝাপিয়ে পড়েন লিপু। তাই এই বিষয়ে আর কিছু বিস্তারিত জানা যায়নি।
bro..coronar moddhew clg er eto beton newar againste valo ekta article cai…
LikeLike
Ei Reporter ke dekte cawa amar nispap mon🙂
LikeLike