নিজস্ব প্রতিবেদক
গত কিছুদিন ধরেই চট্টগ্রামে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। এতে করে খানা-খন্দে ভরপুর এই শহরের রাস্তাঘাট যেন হয়ে উঠেছে প্রশান্ত মহাসাগর। পানির এই ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি থেকে বাদ যায়নি নগরের সর্ববৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজও। তুমুল বৃষ্টিপাতের কারনে কলেজের মাঠেও জমেছে কোটি কোটি অনু পানি (H2O)। মাঠ যেন আর মাঠ নেই, হয়ে উঠেছে মাছদের আড্ডাখানা। বিভিন্ন প্রকারের দেশী-বিদেশী-ভিনগ্রহের মাছদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র হিসেবে ইতোমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছে এই সিসিপিসি। রুই-কাতলা-ইলিশ-টুনা হতে শুরু করে সাগরের ডলফিন, সবই আছে এই মাঠে।
তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হয় যখন কলেজ থেকে ফোন করে এই প্রতিবেদককে জানানো হয় পাবলিক কলেজের সাগরে, থুক্কু মাঠে, তিমি মাছের সন্ধান পাওয়া গেছে। ফোন দেয়ার মুহুর্তে প্রতিবেদক তার প্রাকৃতিক কর্ম সারছিলেন বলে জানিয়েছেন। তবে তিনি তিমি মাছের আগমনে এতোটাই উৎসাহিত হয়ে উঠেছিলেন যে, সে অবস্থায় “ইউরেকা ইউরেকা” বলে লাফ দিয়ে ওঠেন। প্রাকৃতিক কর্ম অর্ধসমাপ্ত রেখেই তিনি প্রকৃতি দেখতে ছুটে যান পাবলিক কলেজের মাঠে।

তিনি এসে দেখতে পান বিপুল উৎসাহে নৌকা করে মৎস শিকারে নেমেছেন সবাই। এই স্বনামধন্য কলেজের বেশ কিছু প্রবীণ শিক্ষক লুঙ্গীতে মাচকোলা মেরে এই মহাসমুদ্রে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক প্রবীণ শিক্ষক বলেছেন, “শুনেছি তিমি মাছের মাংস নাকি বাতের ব্যাথার জন্য বেশ উপকারী। তাই এই তিমি শিকার করে এর মাংস ভক্ষন করে আমার বাত নিরাময় করতে চাই আমি।“
তবে দেশের সম্পদকে এভাবে গিলে খেয়ে ফেলা, একজন শিক্ষিত সুনাগরিকের কর্ম কিনা জানতে চাইলে তিনি এর জবাব দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। প্রতিষ্ঠানের বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের কতিপয় শিক্ষক তিমির জীবন রহস্য উন্মোচনে নাওয়া-খাওয়া এক করেছেন বলেও শোনা যাচ্ছে।
ইতোমধ্যে মাছদের সাথে টিকটক করার জন্য উক্তস্থানে ভিড় করছে কতিপয় টিকটকাররা। তবে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ছক্কু মিয়া কোন টিকটকারকে সিসিপিসির মাটিতে ঢুকতে দেয়া হবে না বলে হুংকার দিয়েছেন।
Vai re vai, বাংলা 2য় পত্রে প্রতিবেদন লিখার সময় এত ট্যালেন্ট কই থাকে???
LikeLike
[…] তুমুল বৃষ্টিপাতের কারনে সিসিপিসিতে ত… […]
LikeLike