নিজস্ব প্রতিবেদক
নগরের সর্ববৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ। ক্যাম্পাসের সাথে সাথে শিক্ষার মানও যে চমৎকার সেটা সিসিপিসি প্রমাণ করেছে বারংবার। টানা ৪ বার চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সময়ের এই শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা গ্রহণ করতে দেশ-বিদেশের নানা মুনি প্রায়ই এডমিশন নেন। তবে শুধু পৃথিবীতেই নয়, মহাবিশ্বেও যে সিসিপিসিতে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী রয়েছে তা যানা গেল এবার। মঙ্গল গ্রহ থেকে এক ভিনগ্রহের এলিয়েনকে দেখা গেছে সিসিপিসির ক্যাম্পাসে।
কতৃপক্ষ সূত্রে জানা যায় যে, এই এলিয়েনের নাম চিং চুং চাং। সে অনেক দূর থেকে এসেছে। অন্যান্য ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মতো সেও ক্যান্ট পাবলিকের গেইটের সামনে দাঁড়ায় থাকে। কিন্তু তাকে ঢুকতে দেয়া হয় না। সেও নাছোড় বান্দা। সিসিপিসিতে ভর্তি না হয়ে সে যাবেই না। সে আমরন অনশনের ডাক দেয় এবং হুমকি দেয় এডমিশন না দিলে সে না খেয়ে মারা যাবে। অগত্যা বাধ্য হয়েই তাকে এডিমশন দেয় চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ কতৃপক্ষ।
চিং চুং অনলাইনে মনোযোগ দিয়ে সব ক্লাস করছে বলেও জানান তার শ্রেণীশিক্ষক।
এ বিষয়ে ভিনগ্রহের এলিয়েন চিং চুং এর সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তার একাংশ নিম্নরূপ-
প্রতিবেদক- তুমি তোমার গ্রহ থেকে এখানে কিভাবে এসেছ?
চিং- জ্বী পাবলিক কলেজের বাস করে এসেছি, জনাব।
প্রতিবেদক- শিক্ষা গ্রহণ করতে এতো দূর কেন এসেছ? তোমাদের গ্রহে কি স্কুল কলেজের অভাব নাকি?
চিং- জ্বী না। অবশ্যই স্কুল-কলেজ আছে। কিন্তু চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের মতো উচ্চ মানের কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। আমার বাবার অনেক ইচ্ছা ছিল তার ছেলেকে এই জগৎ-শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পড়ানোর। তাই বাবার স্বপ্ন পূরনের জন্য আমি সাত গ্যালাক্সি, তেরো গ্রহ পার করে আজ এখানে এসেছি।
তার এই হৃদয় গলানো মোটিভেশনাল স্পিচ শুনে প্রতিবেদক কাঁদতে শুরু করেন এবং কান্না করতে করতেই অজ্ঞান হয়ে যান। তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানা যায়নি।
