
চট্টগ্রামে ইদানিং খুব বেশী গরম পড়ছে। এই তীব্র দাবদাহ হতে নিস্তার পায়নি চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজও। ইতোমধ্যে গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদে ও ভ্যাপসা গরমে মরুভূমিতে পরিনত হয়েছে সিসিপিসি।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় মরুভূমি এখন থেকে সিসিপিসির এই ময়দান। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্যা গ্রেট লিপু ডেসার্ট’। সিসিপিসির কিংবদন্তী নাপিত স্যার লিপু কুমার শীলের নামানুসারে এই মরুভূমি।
এই মরুভূমির মাঝে বিপুল পরিমাণে খনিজ তেল পাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। ইতোমধ্যে এই তেল উত্তোলনের জন্য কানাডার নামজাদা প্রতিষ্ঠান নাইকোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওরা কাস্তে-কোদাল নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছে এই মরুভূমিতে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই মরুভূমিকে নিয়ে প্রতিবেদন লেখার গুরুদায়িত্ব পড়েছিল ডেইলি সিসিপিসির রিপোর্টার আবুল কুদ্দুসের ওপর। তিনি এই বিশাল ডেজার্টের মধ্যে হারিয়ে যান নিমিষেই।
টানা ৬ দিন ৬ রাত মরুভূমিতে হাটতে হাটতে তিনি উটের একটি পালের সঙ্গে ধাক্কা খান। এই উটগুলির মালিক ছিলেন সৌদি আরবের মহান বেদুইন নেতা শেখ হাবিবি ও শেখ সাদি। তারা মরুভূমিতে উট চরান ও এর মাংস বিক্রি করে সবজি (!) কেনেন। তবে কোন ধরনের সবজী তাদের সবচেয়ে বেশী পছন্দ, তা জিজ্ঞাসা করলে শেখ হাবিবি মুখ খিচিয়ে গালি দেন।